পৃথিবীর ব্যস্ততা ও মানসিক অস্থিরতা থেকে মুক্তি পেতে মহানবী (সা.)-এর জীবনধারা ও আদর্শ অনুসরণ করা অপরিহার্য। বিশেষ করে শিশুদের মানসিক বিকাশে এবং পারিবারিক প্রশান্তি বজায় রাখতে তাঁর ছোট ছোট আচরণগুলো বর্তমানে সমাজবিজ্ঞানীদের গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সন্তানকে প্রকাশ্যে স্নেহ করা এবং তাদের প্রতি কোমলতা প্রদর্শন করার মাধ্যমে শিশুর মনে যে নিরাপত্তাবোধ তৈরি হয়, তা পরবর্তীতে সুস্থ মানসিক গঠনে সহায়তা করে।
ইবাদতের মতো গুরত্বপূর্ণ সময়েও শিশুদের প্রতি দয়াশীল হওয়া নবীজির অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল। কোনো কোনো বর্ণনায় পাওয়া যায়, সেজদারত অবস্থায় পিঠে শিশু বসলে তিনি নামাজ দীর্ঘ করতেন যাতে শিশুর কষ্ট না হয়। এ ধরনের সহমর্মিতা ও ধৈর্য পারিবারিক বন্ধনকে দৃঢ় করে। মহানবী (সা.)-এর জীবন থেকে নেওয়া এই শিক্ষাগুলো কার্যকর করার মাধ্যমে ব্যক্তিজীবনে অনাবিল প্রশান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
সূত্র: প্রথম আলো




