চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের উপকূলীয় এলাকায় জাহাজভাঙা শিল্পের ইতিবাচক পরিবর্তন ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ফলে সমুদ্রের পরিবেশে প্রাণের স্পন্দন ফিরে আসছে। দীর্ঘ সময় পর এই উপকূলীয় অঞ্চলে মাছের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় জেলে সম্প্রদায় বা ‘জলদাস’রা পুনরায় তাদের আদি পেশায় ফিরতে শুরু করেছেন। পরিবেশবান্ধব গ্রিন শিপইয়ার্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিষাক্ত রাসায়নিকের নিঃসরণ কমেছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, এক সময় জাহাজ থেকে নির্গত লুব অয়েল ও রাসায়নিক বর্জ্যের কারণে মাছের অভাব প্রকট হয়ে উঠেছিল এবং তারা জীবিকার সন্ধানে অন্য পেশায় যুক্ত হতে বাধ্য হয়েছিলেন। তবে আধুনিক রিসাইক্লিং পদ্ধতির কারণে এখন লোনা পানিতে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিচরণ বাড়ছে। এই পরিবর্তন উপকূলীয় অর্থনীতির চাকা সচল করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের টেকসই ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখাচ্ছে।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড




